কোরআন ও সুন্নাহর আলোকে পর্দা Free Download Pdf

কোরআন ও সুন্নাহর আলোকে পর্দা আল্লাহ রাব্বুল আলামীন নবীকুল শিরমনী মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে হিদায়াত (পথ নির্দেশ) ও সত্য ধর্ম, (আনুগত্যের একমাত্র সত্য বিধান) সহ প্রেরণ করেছেন। যাতে তিনি রাব্বুল আলামীনের আদেশানুসারে মানব মন্ডলীকে কুফরের অন্ধকার থেকে ঈমানের আলোর দিকে বের করে নিয়ে আসেন। আল্লাহ তাআলা তাকে ইবাদতের মর্মার্থ বাস্তবায়িত করার জন্য পাঠিয়েছেন। এবং তা আল্লাহর বিধি-বিধানকে প্রবৃত্তির অনুসরণ ও শয়তানি খেয়ালখুশি চরিতার্থ করার উপর অগ্রাধিকার দিয়ে একান্ত বিনয়, নম্রতা ও আন্তরিকতার সাথে আল্লাহর আদেশাবলী পালন করা এবং নিষেধাবলী থেকে সম্পূর্ণ বিরত থাকার মাধ্যমে হয়ে থাকে ।

কোরআন ও সুন্নাহর আলোকে পর্দা Free Download Pdf

মহান রাব্বুল আলামীন ইসলামি মতে নৈতিক চরিত্রের পরিপূর্ণতা সাধনের উদ্দেশ্যে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে প্রেরণ করেছেন। তিনি যেন উত্তম সদাচারের দিকে মানবগোষ্ঠীকে আহ্বান করেন এবং অশালীন-অশোভন রীতি-নীতি, কার্যকলাপ ও নৈতিকতা বিধ্বংসী উপায় উপকরণাদি থেকে ভীতি প্রদর্শন করেন। তিনি মানবজাতির সর্বাঙ্গীন কল্যাণের জন্যে সার্বজনীন, সর্ব যুগে প্রযোজ্য, সর্বদিক দিয়ে সুসম্পূর্ণ ও পূর্ণাঙ্গ ধর্ম (জীবন বিধান) নিয়ে এই ভূমন্ডলে আবির্ভূত হয়েছেন। সুতরাং, এখন দ্বীন ইসলামের পরিপূর্ণতা বা শুদ্ধতার জন্যে কোনো সৃষ্টি বা মানব প্রচেষ্টার কোনোই প্রয়োজন নেই। কেননা, এটি মহাবিজ্ঞ, সর্বদ্রষ্টা মহান স্রষ্টার পক্ষ হতে অবতীর্ণ পূর্ণাঙ্গ জীবন বিধান। যিনি বান্দার উপযোগী প্রত্যেক ব্যাপারে সর্বজ্ঞাতা ও তাদের প্রতি চির স্নেহশীল, মহাকরুণাময়।

মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) যে মহান চরিত্রাবলীর অধিকারী হয়ে প্রেরিত হয়েছেন। তন্মধ্যে লজ্জাশীলতা অন্যতম। এটি ঈমানের একটি গুরুত্বপূর্ণ শাখা। এ কথা সর্বজন স্বীকৃত যে, নারীর পক্ষে স্বীয় মান মর্যদা রক্ষা কল্পে নিজেকে ফেতনা, অশ্লীলতা ও অমর্যাদাকর যাবতীয় আচরণ থেকে দূরে রাখা, তার লজ্জাশীলতারই বহি:প্রকাশ। যা ইসলামি শরিয়ত ও সামাজিকতার দৃষ্টিকোণে প্রতিটি নারীর জন্যে অপরিহার্য । মুখমন্ডলসহ শরীরের আর্কষনীয় অঙ্গসমূহ আবৃত করত: পর্দা পালন করা নারীর ব্যক্তিত্ব ও মর্যাদার মূল উপাদান নি:সন্দেহে । কারণ এটি নির্লজ্জতা পরিহার ও সতীত্ব সংরক্ষণের সর্বোত্তম উপায়। আমাদের এই দেশ (সাউদি আরব) ওহী, রিসালাত, লজ্জাবোধ ও শালীনতার (অনুশীলনের) দেশ, এখানে কিছুকাল পর্যন্ত লোকেরা এসব বিষয়ে সঠিক পদ্ধতির উপর অবিচল ছিল। রমণীকুল বড় চাদর, বোরখা ইত্যাদি দ্বারা আবৃত হয়ে যথার্থভাবে পর্দা অবলম্বন করে ঘর থেকে বের হত। পর পুরুষের সাথে অবাধ মেলামেশা থেকে দূরে থাকত । এখনো সাউদি আরবের অনেক শহরে সেই অবস্থা বহাল রয়েছে, আলহামদুলিল্লাহ।
কিন্তু কিছু সংখ্যক লোকের পর্দা সম্পর্কিত ভিত্তিহীন ও অশোভনীয় কথা বার্তা এবং পর্দ প্রথার বিরোধিতাকারী ও চেহারা অনাবৃত রাখার পক্ষপাতী লোকদের পর্দা বিষয়ক নানা প্রশ্ন যেমন, পর্দা ফরজ না মুস্তাহাব? নাকি এটি সামাজিক বা গোষ্ঠীয় কোনো প্রথা? ইত্যকার বিষয়গুলো সামনে আসলে এ সম্বন্ধে একটি প্রামাণ্য লেখা উপস্থাপনার চেষ্টা করেছি। এর মাধ্যমে বিভ্রান্তিকর সব উক্তি ও সন্দেহ নিরসন করে সুস্পষ্ট প্রমাণাদির দ্বারা বিষয়টির প্রকৃত হুকুম অবগত করার সাধ্যমত চেষ্টা করেছি। মহান আল্লাহর রহমতে আশান্বিত হয়ে যে, এর দ্বারা প্রকৃত সত্য প্রকাশ পাবে। আল্লাহ তাআলার নিকট প্রার্থনা করছি তিনি যেন আমাদেরকে প্রকৃত সত্যের অনুসারী, হিদায়াতপ্রাপ্ত ও তাঁর প্রিয় বান্দাদের অন্তর্ভুক্ত করেন। আল্লাহই আমাদের তাওফীক দাতা।

হে মুসলিম সম্প্রদায়! জেনে রাখুন, নারীর জন্যে পর পুরুষের সামানে পর্দা করা এবং মুখমন্ডল আবৃত রাখা। আপনার রবের পবিত্র কোরআন, নবীর সহীহ হাদীসসমূহ এবং শরিয়তজ্ঞদের অনন্য চেষ্টা সাধনালব্ধ সঠিক ও নির্ভুল কিয়াস তা প্রমাণ করে।

 

Download Link 1

Download Link 2

Download Link 3

 

Comments

comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *